বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে দুইটি ট্রেড নিয়ে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ২ বছর মেয়াদি ট্রের্ড কোর্স চালু করা হয়। ২০০৩ সালে সরকার এক গেজেটের মাধ্যমে দেশের সকল ভোকেশনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটকে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ এ রুপান্তর করে, ফলে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান নাম হয় লালমনিরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি লালমনিরহাট শহরস্থ ঐতিহ্যসিক মিশন মোড়ের পশ্চিম পাশে^ ০৩ একর ভূমির উপর বৈচিত্রময় ভৌত অবকাঠামো, বনবিথীর ছায়া ঘেরা উত্তর জনপদের অন্যতম সরকারি বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে ট্রেডের সংখ্যা ০৪ টি এবং ০৩টি শর্ট কোর্স চালু আছে। ২টি একাডেমিক ভবন ও ০৮টি ওয়ার্কশপ, ০২ টি ল্যাব এবং আলাদা প্রশাসনিক ভবন বিদ্যমান। একাডেমিক ভবন ও ওয়ার্কশপে শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক ভবনে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব খাতভূক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ১৩ জন। খন্ডকালিন শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ০৯ জন। মোট কর্মচারির সংখ্যা ১৫ জন। অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১২০০ জন এবং শর্ট কোর্স এর প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৫০ জন। উল্লেখ যে ৬৪ টি টিএসসি সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৫ তলা আধুনিক সুযোগ সুবিধা বিশিষ্ট একটি একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন নির্মিত হয়েছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস